কানে পুঁজ পড়া সাধারণত বাইরের কানের নালি বা মধ্যকানের ইনফেকশনের লক্ষণ। এর সঙ্গে ব্যথা, দুর্গন্ধ, কান বন্ধ লাগা, চুলকানি, জ্বর কিংবা কম শোনার সমস্যা থাকতে পারে। কখনো তীব্র ব্যথার পর হঠাৎ পুঁজ বের হতে শুরু করলে কানের পর্দা ফেটে যাওয়ার সম্ভাবনাও থাকে।
একবার সামান্য discharge হওয়া এবং বারবার কানে পুঁজ পড়া একই বিষয় নয়। দীর্ঘদিন বা বারবার পুঁজ পড়া chronic ear infection, কানের পর্দায় স্থায়ী ছিদ্র অথবা cholesteatoma-এর মতো রোগের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। এসব সমস্যা অবহেলা করলে শ্রবণশক্তি কমে যাওয়া এবং কানের ভেতরের গুরুত্বপূর্ণ গঠন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
কান থেকে পুঁজ বের হলে নিজের সিদ্ধান্তে যেকোনো ear drop বা antibiotic ব্যবহার করা ঠিক নয়। কানের পর্দা অক্ষত কি না এবং discharge কোথা থেকে আসছে, তা পরীক্ষা করে কারণ অনুযায়ী চিকিৎসা নিতে হবে।
কানে পুঁজ পড়া কী?
কান থেকে স্বচ্ছ পানি, পুঁজ, রক্ত বা অন্য কোনো তরল বের হওয়াকে চিকিৎসাবিজ্ঞানে ear discharge বা otorrhea বলা হয়। তরলটি বাইরের কানের নালি, কানের পর্দা অথবা মধ্যকান থেকে আসতে পারে।
কানে পুঁজ পড়া সাধারণত infection-এর ইঙ্গিত দিলেও শুধু পুঁজের রং বা গন্ধ দেখে রোগ নিশ্চিত করা যায় না। বাইরের কানের infection, মধ্যকানের infection, কানের পর্দায় ছিদ্র এবং cholesteatoma—সব ক্ষেত্রেই discharge দেখা দিতে পারে।
Discharge-এর সঙ্গে ব্যথা, জ্বর, শুনতে সমস্যা, মাথা ঘোরা বা দুর্গন্ধ থাকলে রোগের কারণ ও গুরুত্ব সম্পর্কে কিছু ধারণা পাওয়া যায়। তবে নিশ্চিত diagnosis-এর জন্য otoscope বা microscope দিয়ে কানের নালি ও পর্দা পরীক্ষা করা প্রয়োজন।
কানে পুঁজ পড়া কী?
Ear discharge-এর সঙ্গে কী কী লক্ষণ রয়েছে, তা কারণ নির্ণয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কারও শুধু পুঁজ পড়তে পারে, আবার কারও ব্যথা, জ্বর এবং hearing loss একসঙ্গে দেখা দিতে পারে।
সাধারণ লক্ষণগুলো হলো:
- কানে ব্যথা বা চাপ
- কান বন্ধ বা ভারী লাগা
- কান থেকে পানি বা পুঁজ বের হওয়া
- পুঁজে দুর্গন্ধ থাকা
- একটি কানে কম শোনা
- কানে শোঁ শোঁ শব্দ
- কানের ভেতর চুলকানি
- জ্বর বা শরীর খারাপ লাগা
- মাথা ঘোরা বা ভারসাম্যের সমস্যা
- কানের পেছনে ব্যথা বা ফোলা
শিশু নিজের সমস্যা স্পষ্টভাবে বলতে না পারলে কান টানা, অস্থিরতা, ঘুমের সমস্যা, জ্বর, খেতে না চাওয়া অথবা শব্দে স্বাভাবিকভাবে সাড়া না দেওয়ার মতো লক্ষণ দেখা যেতে পারে। কানে পুঁজ পড়ার সঙ্গে ব্যথা, কান বন্ধ লাগা, কম শোনা এবং কানে শোঁ শোঁ শব্দ হতে পারে। তবে এসব লক্ষণ একাধিক কানের সমস্যায় দেখা যায়, তাই পরীক্ষা ছাড়া সঠিক কারণ নিশ্চিত করা যায় না।
প্রধান কারণ
কানে পুঁজ পড়া নিজে কোনো নির্দিষ্ট রোগ নয়; এটি বিভিন্ন কানের রোগের একটি উপসর্গ। সমস্যা কত দিন ধরে চলছে, এক নাকি দুই কান আক্রান্ত এবং সঙ্গে hearing loss বা ব্যথা আছে কি না—এসব তথ্য কারণ শনাক্ত করতে সাহায্য করে।
বাইরের ইনফেকশন
কানের বাইরের নালির infection-কে otitis externa বলা হয়। সাঁতার কাটা, কানে পানি জমে থাকা, cotton bud ব্যবহার, নখ দিয়ে চুলকানো অথবা কানের নালিতে ছোট আঘাত লাগার পর এটি হতে পারে।
এ ক্ষেত্রে কানের নালি ফুলে যেতে পারে এবং কান টানলে বা কানের সামনের অংশে চাপ দিলে ব্যথা বাড়তে পারে। চুলকানি, ভেজা অনুভূতি, পুঁজ এবং সাময়িক hearing loss-ও দেখা দিতে পারে।
কিছু ক্ষেত্রে fungal infection হতে পারে, যেখানে চুলকানি বেশি অনুভূত হয়। তবে discharge দেখে bacterial ও fungal infection আলাদা করা সব সময় সম্ভব নয়। তাই পরীক্ষা ছাড়া নিজের মতো antibiotic বা antifungal drop ব্যবহার করা উচিত নয়।
মধ্যকানের ইনফেকশন
কানের পর্দার পেছনের অংশকে middle ear বলা হয়। সেখানে infection ও fluid জমে গেলে ভেতরের চাপ বেড়ে তীব্র ব্যথা, জ্বর, কান বন্ধ লাগা এবং hearing loss হতে পারে।
চাপ অতিরিক্ত বেড়ে গেলে কানের পর্দায় ছোট ছিদ্র তৈরি হয়ে পুঁজ বাইরে বের হতে পারে। পুঁজ বের হওয়ার পর ব্যথা কিছুটা কমে যেতে পারে, কিন্তু এর অর্থ এই নয় যে infection পুরোপুরি ভালো হয়েছে। পর্দায় ছিদ্র হয়েছে কি না এবং middle ear-এর অবস্থা কেমন, তা পরীক্ষা করা প্রয়োজন।
শিশুদের মধ্যে middle-ear infection তুলনামূলক বেশি দেখা যায়। বারবার infection হলে অথবা infection শেষ হওয়ার পরও কানের পর্দার পেছনে fluid থেকে গেলে hearing test প্রয়োজন হতে পারে।
পর্দা ফেটে যাওয়া
কানের পর্দায় hole বা tear তৈরি হলে তাকে perforated eardrum বলা হয়। Middle-ear infection ছাড়াও cotton bud, কানে আঘাত, বিস্ফোরণের শব্দ অথবা হঠাৎ বায়ুচাপের পরিবর্তনে কানের পর্দা ফেটে যেতে পারে।
এতে কান থেকে পুঁজ, রক্ত বা স্বচ্ছ তরল বের হওয়ার পাশাপাশি ব্যথা, tinnitus, কম শোনা এবং মাথা ঘোরা দেখা দিতে পারে। অনেক ছোট perforation কয়েক সপ্তাহের মধ্যে নিজে থেকে শুকিয়ে যায়। তবে infection থাকলে বা ছিদ্র বড় হলে এটি দীর্ঘদিন থেকে যেতে পারে।
পর্দায় ছিদ্র থাকলে কানে পানি ঢোকা এবং অনুপযুক্ত ear drop ব্যবহার সমস্যা বাড়াতে পারে। এ কারণে পরীক্ষা ছাড়া কানের ভেতর কোনো liquid দেওয়া নিরাপদ নয়।
দীর্ঘমেয়াদি ইনফেকশন
কানের পর্দায় ছিদ্রের মধ্য দিয়ে বারবার বা দীর্ঘদিন পুঁজ পড়াকে chronic suppurative otitis media বলা হতে পারে। এ অবস্থায় সব সময় তীব্র ব্যথা নাও থাকতে পারে। অনেক রোগীর প্রধান অভিযোগ হয় discharge ও hearing loss।
গোসলের সময় কানে পানি ঢোকা অথবা সর্দি-কাশির পর infection আবার সক্রিয় হতে পারে। বারবার কানে পুঁজ পড়া middle ear-এর ছোট hearing bone ক্ষতিগ্রস্ত করে conductive hearing loss তৈরি করতে পারে। দীর্ঘস্থায়ী ear infection শিশু ও প্রাপ্তবয়স্ক উভয়ের hearing loss-এর গুরুত্বপূর্ণ কারণ।
শুধু পুঁজ সাময়িকভাবে বন্ধ হওয়া মানেই chronic disease সেরে গেছে—এমন নয়। পর্দার ছিদ্র এবং middle ear-এর ভেতরের সমস্যা থেকে যেতে পারে।
Cholesteatoma
Cholesteatoma হলো কানের পর্দার পেছনে dead skin cell জমে তৈরি হওয়া অস্বাভাবিক growth। এটি cancer নয়, কিন্তু ধীরে ধীরে middle ear ও mastoid bone ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
এর পরিচিত লক্ষণ হলো এক কান থেকে বারবার দুর্গন্ধযুক্ত watery discharge, ধীরে ধীরে hearing loss, tinnitus, ear fullness এবং dizziness। রোগটি facial nerve ক্ষতিগ্রস্ত করে মুখের এক পাশ দুর্বল করতে পারে; বিরল ক্ষেত্রে infection আরও গভীরে ছড়িয়ে গুরুতর জটিলতা তৈরি করতে পারে।
Cholesteatoma সাধারণত শুধু ওষুধে সম্পূর্ণ দূর হয় না। Infection নিয়ন্ত্রণের পর রোগটি সরানোর জন্য ear surgery প্রয়োজন হতে পারে।
কানে বস্তু ঢোকা
শিশুরা কখনো কানে ছোট খেলনা, কাগজ, খাবারের অংশ বা অন্য কোনো বস্তু ঢুকিয়ে দিতে পারে। বস্তুটি দীর্ঘ সময় আটকে থাকলে infection, দুর্গন্ধ এবং discharge হতে পারে।
সাধারণত একটি কান থেকেই পুঁজ পড়ে। কোনো বস্তু দেখা গেলেও cotton bud, pin বা অন্য কিছু দিয়ে বের করার চেষ্টা করা উচিত নয়। এতে বস্তুটি আরও গভীরে চলে যেতে পারে এবং কানের পর্দায় আঘাত লাগতে পারে।
আঘাতের পর তরল
মাথায় বা কানে আঘাত লাগার পর কান থেকে রক্ত বা স্বচ্ছ পানির মতো তরল বের হলে বিষয়টি জরুরি। এটি সাধারণ ear infection নাও হতে পারে।
এ অবস্থায় কানের ভেতর তুলা, drop বা অন্য কিছু দেবেন না। রোগীকে দ্রুত হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিতে হবে।
দুর্গন্ধ কেন হয়?
দীর্ঘদিন infection থাকা, কানের ভেতর dead skin ও debris জমা অথবা cholesteatoma-এর কারণে discharge-এ দুর্গন্ধ হতে পারে। বিশেষ করে একই কান থেকে বারবার দুর্গন্ধযুক্ত পুঁজ এবং hearing loss হলে দ্রুত ENT পরীক্ষা প্রয়োজন।
নিচের লক্ষণগুলো থাকলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে:
- পুঁজ বন্ধ হয়ে আবার ফিরে আসা
- একই কান দীর্ঘদিন আক্রান্ত থাকা
- পুঁজের সঙ্গে hearing loss বাড়া
- মাথা ঘোরা বা ভারসাম্য নষ্ট হওয়া
- কানের ভেতর polyp-এর মতো tissue দেখা
- মুখের এক পাশ দুর্বল হয়ে যাওয়া
দুর্গন্ধের উপস্থিতি একা cholesteatoma নিশ্চিত করে না। তবে smelly discharge এই রোগের পরিচিত লক্ষণ হওয়ায় ENT specialist-এর মাধ্যমে কানের microscopic examination করা উচিত।
কী সমস্যা হতে পারে?
অল্প সময়ের outer-ear infection সাধারণত চিকিৎসায় ভালো হয়ে যায়। তবে দীর্ঘদিন বা বারবার কানে পুঁজ পড়া অবহেলা করলে কানের পর্দা, middle-ear bone এবং আশপাশের গঠন ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
সম্ভাব্য জটিলতাগুলো হলো:
- কানের পর্দায় স্থায়ী ছিদ্র
- বারবার ear infection
- Conductive hearing loss
- Middle-ear bone ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া
- Cholesteatoma
- Mastoid bone-এ infection
- দীর্ঘস্থায়ী tinnitus বা dizziness
- Facial nerve weakness
- বিরল ক্ষেত্রে meningitis বা brain abscess
Chronic ear infection hearing loss-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরোধযোগ্য ও চিকিৎসাযোগ্য কারণ। শিশুদের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন hearing loss থাকলে কথা শেখা, পড়াশোনা এবং সামাজিক যোগাযোগে প্রভাব পড়তে পারে।
পরীক্ষা কীভাবে হয়?
ENT specialist প্রথমে পুঁজ কত দিন ধরে হচ্ছে, ব্যথা বা জ্বর আছে কি না, আগে ear infection বা surgery হয়েছিল কি না এবং শুনতে সমস্যা হচ্ছে কি না জানতে পারেন।
কানের পরীক্ষা
Otoscope বা microscope দিয়ে কানের নালি, discharge এবং কানের পর্দা দেখা হয়। এতে infection বাইরের নালিতে নাকি middle ear-এ, পর্দায় ছিদ্র আছে কি না এবং cholesteatoma বা foreign body-এর লক্ষণ রয়েছে কি না বোঝা যায়।
পুঁজ ও debris বেশি থাকলে microsuction বা বিশেষ যন্ত্র দিয়ে পরিষ্কার করে ভেতরের অংশ দেখা প্রয়োজন হতে পারে। প্রশিক্ষিত চিকিৎসকের মাধ্যমে কান পরিষ্কার করা diagnosis এবং prescribed drop কার্যকরভাবে পৌঁছানোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
Hearing test
দীর্ঘদিন কানে পুঁজ পড়া, কম শোনা অথবা কানের পর্দায় ছিদ্র থাকলে pure-tone audiometry করা হতে পারে। এতে hearing loss-এর মাত্রা এবং conductive নাকি sensorineural—সে সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।
Audiogram middle-ear disease কতটা hearing loss তৈরি করেছে তা বুঝতে এবং hearing aid বা ear surgery-এর পরিকল্পনায় সাহায্য করে।
অন্য পরীক্ষা
বারবার infection হলে বা সাধারণ চিকিৎসায় না কমলে discharge culture করা হতে পারে। Cholesteatoma, mastoid disease বা অন্য জটিলতা সন্দেহ হলে temporal bone CT scan প্রয়োজন হতে পারে।
সব রোগীর culture বা CT scan প্রয়োজন হয় না। রোগীর লক্ষণ এবং ear examination-এর ফল অনুযায়ী ENT specialist পরীক্ষা নির্বাচন করেন।
চিকিৎসা কী?
কানে পুঁজ পড়া বন্ধ করার চিকিৎসা এর কারণের ওপর নির্ভর করে। Outer-ear infection, middle-ear infection, chronic perforation এবং cholesteatoma-এর চিকিৎসা একই নয়।
কান পরিষ্কার
জমে থাকা পুঁজ, debris ও dead skin পরিষ্কার না করলে prescribed drop আক্রান্ত স্থানে ঠিকভাবে পৌঁছাতে নাও পারে। প্রয়োজন হলে ENT specialist microsuction বা নিরাপদ পদ্ধতিতে কান পরিষ্কার করেন।
Cotton bud দিয়ে শুধু বাইরে দেখা পুঁজ পরিষ্কার করলে ভেতরের infection দূর হয় না। বরং পুঁজ ও debris আরও গভীরে চলে যেতে পারে।
চিকিৎসকের drop
কিছু outer-ear এবং draining middle-ear infection-এ prescribed antibiotic, antifungal বা অন্য medicated ear drop প্রয়োজন হতে পারে। কোন drop ব্যবহার করা নিরাপদ, তা কানের পর্দার অবস্থার ওপর নির্ভর করে।
সব ear drop পর্দায় ছিদ্র থাকা অবস্থায় উপযুক্ত নয়। তাই পুরোনো prescription, অন্যের ear drop অথবা ফার্মেসি থেকে নিজের মতো ওষুধ ব্যবহার করা উচিত নয়।
মুখে খাওয়ার ওষুধ
সব ear discharge-এর জন্য oral antibiotic প্রয়োজন হয় না। তীব্র infection, জ্বর, আশপাশে infection ছড়িয়ে পড়া অথবা নির্দিষ্ট complication-এর আশঙ্কা থাকলে চিকিৎসক oral বা injectable medicine বিবেচনা করতে পারেন।
নিজের সিদ্ধান্তে antibiotic শুরু, পরিবর্তন বা অসম্পূর্ণ অবস্থায় বন্ধ করা উচিত নয়। রোগের ধরন অনুযায়ী চিকিৎসক উপযুক্ত medicine এবং ব্যবহারের সময় নির্ধারণ করবেন।
পর্দার surgery
Infection নিয়ন্ত্রণের পরও কানের পর্দার ছিদ্র না শুকালে, বারবার discharge হলে অথবা hearing loss থাকলে myringoplasty বা tympanoplasty বিবেচনা করা যেতে পারে।
এই surgery-তে কানের পর্দার ছিদ্র repair করা হয়। Middle-ear hearing bone ক্ষতিগ্রস্ত হলে একই সঙ্গে ossiculoplasty প্রয়োজন হতে পারে। অনেক perforation নিজে থেকে ভালো হলেও non-healing perforation-এর ক্ষেত্রে surgical repair দরকার হতে পারে।
Cholesteatoma surgery
Cholesteatoma সাধারণত surgery দিয়ে সরাতে হয়। প্রথমে infection ও discharge নিয়ন্ত্রণ করা হলেও ভেতরের abnormal skin growth থেকে গেলে রোগ আবার সক্রিয় হতে পারে।
Surgery-এর মূল উদ্দেশ্য হলো disease সরিয়ে কানকে নিরাপদ করা এবং গুরুতর জটিলতা প্রতিরোধ করা। Hearing reconstruction একই operation-এ বা পরে করা হবে কি না, তা disease-এর বিস্তারের ওপর নির্ভর করে। Surgery-এর পরও দীর্ঘমেয়াদি follow-up প্রয়োজন হতে পারে।
ঘরে কী করবেন?
ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়ার আগ পর্যন্ত কিছু নিরাপদ নিয়ম অনুসরণ করা যেতে পারে:
- আক্রান্ত কান শুকনা রাখুন
- Swimming বন্ধ রাখুন
- গোসলের সময় কানে পানি ঢোকা এড়িয়ে চলুন
- Cotton bud, pin বা matchstick ব্যবহার করবেন না
- নিজের সিদ্ধান্তে ear drop দেবেন না
- বাইরে আসা পুঁজ পরিষ্কার কাপড় দিয়ে আলতোভাবে মুছুন
- কানের গভীরে cotton বা tissue ঢোকাবেন না
- পুরোনো prescription ও hearing report সঙ্গে রাখুন
কানের পর্দা ফাটা থাকলে NHS কানে পানি না ঢোকানো এবং চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কানের ভেতর কোনো বস্তু বা drop ব্যবহার না করার পরামর্শ দেয়। গোসলের সময় petroleum jelly লাগানো তুলা কানের বাইরের মুখে আলতোভাবে রাখা যেতে পারে, কিন্তু নালির গভীরে ঠেলে দেওয়া যাবে না।
সরিষার তেল, গরম তেল, herbal liquid, hydrogen peroxide বা অজানা ঘরোয়া উপাদান কানে ব্যবহার করবেন না।
কখন জরুরি?
নিচের যেকোনো লক্ষণ থাকলে দ্রুত ENT consultation বা জরুরি চিকিৎসা প্রয়োজন:
- তীব্র বা বাড়তে থাকা ব্যথা
- কানের পেছনে লালচে ফোলা
- কান বাইরে দিকে ঠেলে আসা
- উচ্চ জ্বর বা খুব অসুস্থ লাগা
- হঠাৎ hearing loss
- তীব্র মাথা ঘোরা বা বমি
- মুখের এক পাশ দুর্বল হওয়া
- মাথায় আঘাতের পর রক্ত বা স্বচ্ছ তরল পড়া
- Diabetes-এর সঙ্গে তীব্র ear pain
- শিশুর অতিরিক্ত ঘুমঘুম ভাব বা খিঁচুনি
Cholesteatoma facial nerve damage এবং বিরল ক্ষেত্রে গভীর infection তৈরি করতে পারে। মুখের এক পাশ হঠাৎ দুর্বল হলে জরুরি সহায়তা নিতে হবে।
বয়স্ক diabetic রোগীর রাতে বাড়ে এমন তীব্র ear pain এবং discharge গুরুতর outer-ear infection-এর লক্ষণ হতে পারে। এ ধরনের রোগীকে দ্রুত ENT মূল্যায়ন করানো প্রয়োজন।
Surgery কখন লাগে?
সব রোগীর ear surgery প্রয়োজন হয় না। অনেক acute infection এবং outer-ear infection সঠিক চিকিৎসায় সম্পূর্ণ ভালো হয়ে যায়।
নিচের অবস্থায় surgery বিবেচনা করা হতে পারে:
- পর্দার ছিদ্র নিজে থেকে না শুকালে
- চিকিৎসার পরও পুঁজ ফিরে এলে
- দীর্ঘদিন hearing loss থাকলে
- Middle-ear hearing bone ক্ষতিগ্রস্ত হলে
- Cholesteatoma ধরা পড়লে
- Mastoid bone-এ chronic disease থাকলে
- Infection বারবার জটিলতা তৈরি করলে
Ear examination, audiometry এবং প্রয়োজনীয় imaging-এর ফল দেখে surgery-এর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। Surgery-এর ধরন রোগীর কানের অবস্থা ও disease-এর বিস্তারের ওপর নির্ভর করে।
প্রতিরোধের উপায়
সব ear infection প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়। তবে কানের নালিতে আঘাত ও পানি প্রবেশ কমিয়ে কিছু infection-এর ঝুঁকি কমানো যায়।
কানে cotton bud, matchstick, pin বা অন্য কোনো বস্তু ব্যবহার করবেন না। Swimming বা গোসলের পর কানের ভেতরে কিছু ঢুকিয়ে শুকানোর চেষ্টা না করে বাইরের অংশ আলতোভাবে মুছুন।
কানের পর্দায় ছিদ্র বা পুরোনো ear surgery থাকলে পানি থেকে সুরক্ষার বিষয়ে ENT specialist-এর পরামর্শ মেনে চলুন। কান থেকে পুঁজ, ব্যথা বা hearing loss শুরু হলে সময়মতো পরীক্ষা করান।
শিশুর বারবার infection, কানে পুঁজ পড়া অথবা কথা বলতে দেরি হলে hearing evaluation পিছিয়ে দেওয়া উচিত নয়।
শেষ কথা
কানে পুঁজ পড়া কেন হয়?
বাইরের কানের infection, middle-ear infection, কানের পর্দা ফাটা, chronic suppurative otitis media এবং cholesteatoma-এর কারণে কান থেকে পুঁজ বের হতে পারে।
পুঁজ মানেই কি পর্দা ফাটা?
না। পুঁজ বাইরের কানের নালি থেকেও আসতে পারে। তীব্র middle-ear infection-এর পর হঠাৎ discharge শুরু হলে পর্দা ফাটার সম্ভাবনা থাকে। পরীক্ষা ছাড়া নিশ্চিত হওয়া যায় না।
দুর্গন্ধযুক্ত পুঁজ কি গুরুতর?
বারবার দুর্গন্ধযুক্ত discharge chronic infection বা cholesteatoma-এর লক্ষণ হতে পারে। এর সঙ্গে hearing loss থাকলে দ্রুত ENT specialist-এর পরামর্শ নেওয়া উচিত।
Ear drop ব্যবহার করা যাবে?
কানের পর্দা অক্ষত কি না না জেনে নিজের মতো ear drop ব্যবহার করা উচিত নয়। চিকিৎসক পরীক্ষা করে নিরাপদ ও প্রয়োজনীয় drop নির্বাচন করবেন।
কান কীভাবে পরিষ্কার করব?
শুধু বাইরে বের হওয়া পুঁজ পরিষ্কার কাপড় দিয়ে আলতোভাবে মুছতে পারেন। Cotton bud বা অন্য কোনো বস্তু কানের নালির ভেতর ঢোকাবেন না।
Hearing test কেন দরকার?
দীর্ঘমেয়াদি infection কানের পর্দা ও middle-ear hearing bone ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। Audiometry hearing loss-এর ধরন ও মাত্রা নির্ণয়ে সাহায্য করে।
কখন operation লাগে?
পর্দার ছিদ্র না শুকালে, বারবার discharge হলে, hearing bone ক্ষতিগ্রস্ত হলে অথবা cholesteatoma ও mastoid disease থাকলে ear surgery প্রয়োজন হতে পারে।
শিশুদের পুঁজ পড়লে কী করবেন?
শিশুকে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে নিতে হবে। কানে কোনো বস্তু আটকে আছে কি না, infection হয়েছে কি না এবং hearing প্রভাবিত হয়েছে কি না পরীক্ষা করা প্রয়োজন।